যোগাযোগ

  • সম্পাদক ও প্রকাশক: জহিরুল হক | বিভাগীয় প্রধান (অনলাইন): মুহাঃ ইমদাদুল হক

    চারিদিক নিউজের পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক ১৬৪/১, বিআরবি ক্যাবল বিল্ডিং, (৩য় তলা)
    সবুজবাগ থানা গলি, মধ্যবাসাবো, সবুজবাগ, ঢাকা-১২১৪।
    ফোন: ‪+৮৮ ০২ ৪৭২১৪০৪৪‬, ০১৬১১৫৩৬৪৬৪, ০১৭৫৪৭০৭১৮০ | ই-মেইল: info@charidiknews.com, news@charidiknews.com

    বিজ্ঞাপন বিভাগ: ফোন: ‪+৮৮ ০২ ৪৭২১৪০৪৪‬, ০১৬১১৫৩৬৪৬৪, ০১৭৫৪৭০৭১৮০ | ই-মেইল: ads@charidiknews.com

    সার্কুলেশন: ফোন: ০১৭৫৪ ৭০৭ ১৮০ | চারিদিক বাংলার একটি প্রকাশনা

Some Populer Post

  • Home  
  • টাকার রহস্য: টাকশালে টাকা তৈরি হয় কিভাবে? Bangladeshi currency printing | চারিদিক-Charidik
- বিনোদন - শিক্ষা

টাকার রহস্য: টাকশালে টাকা তৈরি হয় কিভাবে? Bangladeshi currency printing | চারিদিক-Charidik

কথায় বলে ঢাকায় টাকা উড়ে , টাকায় কি না হয় , টাকায় সব কিছুর মূল । এখন প্রশ্ন হল টাকা কি ভাবে তৈরি হয় ? সব দেশেই কি টাকা ছাপানো হয় ? দেশেই যদি টাকা ছাপানো যায় তাহলে কেনো এতো ঋণ ? বিশ্ব জুড়ে ৬৫ টি দেশে টাকা ছাপানো হয় যার মধ্য বাংলাদেশ একটি । […]

টাকার রহস্য: টাকশালে টাকা তৈরি হয় কিভাবে?

কথায় বলে ঢাকায় টাকা উড়ে , টাকায় কি না হয় , টাকায় সব কিছুর মূল । এখন প্রশ্ন হল টাকা কি ভাবে তৈরি হয় ? সব দেশেই কি টাকা ছাপানো হয় ? দেশেই যদি টাকা ছাপানো যায় তাহলে কেনো এতো ঋণ ? বিশ্ব জুড়ে ৬৫ টি দেশে টাকা ছাপানো হয় যার মধ্য বাংলাদেশ একটি । বাংলাদেশের টাকশাল  দেশের মুদ্রা, নোট, ডাকটিকিট এবং সিকিউরিটি ডকুমেন্ট তৈরির জন্য দায়ী একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। এটি একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অধীনে পরিচালিত হয়। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, মুদ্রার নিরাপত্তা, এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে টাকশালের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বাংলাদেশের টাকশালের প্রতিষ্ঠা হয়েছিল ১৯৭১ সালে দেশের স্বাধীনতার পর, যখন নতুন রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশ তার নিজস্ব মুদ্রা ও নোট তৈরির প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে। স্বাধীনতার পর, বাংলাদেশের নিজস্ব মুদ্রা চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হয় এবং সেই প্রেক্ষাপটে টাকশালের যাত্রা শুরু হয়। টাকশাল প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য ছিল দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের জন্য প্রয়োজনীয় মুদ্রা, নোট এবং অন্যান্য সিকিউরিটি ডকুমেন্ট উৎপাদন নিশ্চিত করা। প্রথমদিকে, বাংলাদেশের মুদ্রা এবং নোট ভারতের দেরাদুনে ছাপানো হতো। ১৯৭৪ সালে ঢাকায় মুদ্রা তৈরির কারখানা স্থাপন করা হয়। পরবর্তীতে, ১৯৮৯ সালে গাজীপুরে একটি আধুনিক টাকশাল স্থাপন করা হয়, যা বর্তমানে বাংলাদেশ সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেস এন্ড মেন্টিং কর্পোরেশন নামে পরিচিত। এই টাকশালটি বাংলাদেশের নোট ও মুদ্রা তৈরির প্রধান কেন্দ্র হিসেবে কাজ করছে। বাংলাদেশের টাকশালের প্রধান কাজ হলো মুদ্রা ও নোট ছাপানো, যা দেশের অর্থনৈতিক কার্যক্রমের জন্য অত্যাবশ্যক। এছাড়া, এখানে ডাকটিকিট, সিকিউরিটি পেপার, বিভিন্ন ধরনের ব্যাংক চেক, বন্ড, স্ট্যাম্প এবং অন্যান্য সিকিউরিটি ডকুমেন্ট তৈরি করা হয়। টাকশাল দেশের আর্থিক প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সরবরাহ করে, যা আর্থিক লেনদেনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। টাকশাল আধুনিক প্রযুক্তি ও উন্নত মানের মেশিনারিজ ব্যবহার করে কাজ পরিচালনা করে। এখানে বিভিন্ন স্তরে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়, যাতে তৈরি হওয়া মুদ্রা ও নোটের মান এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়। টাকশাল কর্তৃপক্ষ নিয়মিতভাবে নোট ও মুদ্রার নকল প্রতিরোধে উন্নত প্রযুক্তি ও নতুন ডিজাইন প্রবর্তন করে থাকে। বাংলাদেশের টাকশাল একটি সুসজ্জিত এবং আধুনিক মানের অবকাঠামো নিয়ে গঠিত। এখানে নোট ছাপানোর জন্য উন্নত প্রিন্টিং মেশিন, সিকিউরিটি ফিচার যোগ করার জন্য ল্যাবরেটরি এবং মুদ্রার জন্য আধুনিক মেন্টিং মেশিন রয়েছে। টাকশালের উন্নত প্রযুক্তি এবং মানসম্পন্ন মেশিনারিজ দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। টাকশালে মুদ্রা ও নোট ছাপানোর সময় বিভিন্ন সিকিউরিটি ফিচার যোগ করা হয়, যেমন জলছাপ, সিকিউরিটি থ্রেড, মাইক্রোপ্রিন্টিং এবং বিশেষ ধাতব প্রলেপ। এসব ফিচার জালিয়াতি প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা পালন করে। এছাড়া, টাকশাল নিয়মিতভাবে নতুন ডিজাইন ও ফিচার প্রবর্তন করে মুদ্রা ও নোটের নিরাপত্তা জোরদার করে থাকে। বাংলাদেশের টাকশালকে কিছু চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়। এর মধ্যে প্রধান চ্যালেঞ্জ হলো মুদ্রা ও নোটের জালিয়াতি প্রতিরোধ। জাল মুদ্রা ও নোট বাজারে প্রবেশের ফলে দেশের অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। টাকশাল নিয়মিতভাবে নিরাপত্তা ফিচার উন্নয়নের মাধ্যমে এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করার চেষ্টা করে থাকে। তবে আরও আধুনিক প্রযুক্তি এবং আন্তর্জাতিক মানের সিকিউরিটি ব্যবস্থার প্রয়োজন রয়েছে। টাকশালকে আরও কার্যকর ও আধুনিক করার জন্য সরকার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প গ্রহণ করেছে। টাকশালে আধুনিক প্রযুক্তি সংযোজন, কর্মী প্রশিক্ষণ এবং নতুন সিকিউরিটি ফিচার প্রবর্তনের মাধ্যমে টাকশালকে আরও দক্ষ ও কার্যকর করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে, বাংলাদেশের টাকশাল দেশের অর্থনৈতিক কার্যক্রমের জন্য আরও উন্নত ও সুরক্ষিত মুদ্রা ও নোট সরবরাহ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। টাকশাল কর্তৃপক্ষ পরিকল্পনা করেছে নতুন প্রযুক্তি সংযোজন এবং বিদ্যমান অবকাঠামোর উন্নয়নের মাধ্যমে আরও মানসম্পন্ন সেবা প্রদান করার। দেশের আর্থিক নিরাপত্তা এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে টাকশালের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের টাকশাল একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান যা দেশের অর্থনৈতিক কার্যক্রমের মেরুদণ্ড হিসেবে কাজ করছে। মুদ্রা ও নোটের নিরাপত্তা, মান এবং স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে টাকশাল কর্তৃপক্ষ নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। সঠিক পরিকল্পনা ও উন্নয়নের মাধ্যমে টাকশাল ভবিষ্যতে দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতায় আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।  এমন আরো ভিডিও ও তথ্য পেতে আমাদের এই পেজ টিকে ফলো করুন এবং লাইক কমেন্ট শেয়ার করে পাশে থাকুন ।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

About Us

যোগাযোগ
সম্পাদক ও প্রকাশক: জহিরুল হক | বিভাগীয় প্রধান (অনলাইন): মুহাঃ ইমদাদুল হক

চারিদিক নিউজের পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক ১৬৪/১, বিআরবি ক্যাবল বিল্ডিং, (৩য় তলা)
সবুজবাগ থানা গলি, মধ্যবাসাবো, সবুজবাগ, ঢাকা-১২১৪।
ফোন: ‪+৮৮ ০২ ৪৭২১৪০৪৪‬, ০১৬১১৫৩৬৪৬৪, ০১৭৫৪৭০৭১৮০ | ই-মেইল: info@charidiknews.com, news@charidiknews.com

বিজ্ঞাপন বিভাগ: ফোন: ‪+৮৮ ০২ ৪৭২১৪০৪৪‬, ০১৬১১৫৩৬৪৬৪, ০১৭৫৪৭০৭১৮০ | ই-মেইল: ads@charidiknews.com

সার্কুলেশন: ফোন: ০১৭৫৪ ৭০৭ ১৮০ | চারিদিক বাংলার একটি প্রকাশনা

GPIT @2024. All Rights Reserved.