যোগাযোগ

  • সম্পাদক ও প্রকাশক: জহিরুল হক | বিভাগীয় প্রধান (অনলাইন): মুহাঃ ইমদাদুল হক

    চারিদিক নিউজের পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক ১৬৪/১, বিআরবি ক্যাবল বিল্ডিং, (৩য় তলা)
    সবুজবাগ থানা গলি, মধ্যবাসাবো, সবুজবাগ, ঢাকা-১২১৪।
    ফোন: ‪+৮৮ ০২ ৪৭২১৪০৪৪‬, ০১৬১১৫৩৬৪৬৪, ০১৭৫৪৭০৭১৮০ | ই-মেইল: info@charidiknews.com, news@charidiknews.com

    বিজ্ঞাপন বিভাগ: ফোন: ‪+৮৮ ০২ ৪৭২১৪০৪৪‬, ০১৬১১৫৩৬৪৬৪, ০১৭৫৪৭০৭১৮০ | ই-মেইল: ads@charidiknews.com

    সার্কুলেশন: ফোন: ০১৭৫৪ ৭০৭ ১৮০ | চারিদিক বাংলার একটি প্রকাশনা

Some Populer Post

  • Home  
  • যে হীরা যত খাজ কাটা, তার মূল্য তত বেশি
- সর্বশেষ

যে হীরা যত খাজ কাটা, তার মূল্য তত বেশি

Lorem ipsum dolor sit amet consectetur. Ut tellus suspendisse nulla aliquam Risus rutrum ultrices pretium dolor amet consectetur.

হীরা আমার নাম । না ভাই আমি আমার নাম বলছি না বা কোনো মুভির নাম ও বলতেছি না আমি বলতেছি পৃথিবীতে পাওয়া সব থেকে দামি রত্ন পাথর এর নাম  । এটি গহনা তৈরিতে  সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় । বর্ণহীন এ রত্নটি একটি মাত্র বিশুদ্ধ উপাদান কার্বন থেকে সৃষ্ট । আপনি কি জানেন কেনো এই হীরা কই পাওয়া যায় কেনোই বা এর মূল্য এত বেশি ? হীরা সব থেকে বেশি পাওয়া যায় আফ্রিকা মহাদেশে । বর্তমানে হীরা উত্তোলনে শীর্ষ দেশ বতসোয়ানা । রাশিয়া রয়েছে দ্বিতীয় স্থানে । এ ছাড়া ও সাউথ অফ্রিকা, ভারত , কানাডা , যুক্তরাষ্ট্র , অস্ট্রলিয়ার খনিতে পাওয়া  । বাংলাদেশে হীরার কোনো খনি নাই । 

ভূ-অভ্যন্তরে প্রায় ১৪০ থেকে ১৯০ কি.মি. নিচে পৃথিবীর কেন্দ্র ও পৃথিবীর আবরণের মাঝে প্রচণ্ড তাপ ও চাপের কারণে । হীরা গঠিত হতে প্রায় ১ থেকে ৩.৩ বিলিয়ন বছর সময় লাগে বলে বৈজ্ঞানিকদের ধারণা । গবেষকদের মতে, সকল হীরাই পৃথিবীতে তৈরি হয়েছে এমন নয়; পৃথিবীতে এমন অনেক হীরা পাওয়া গেছে যেগুলো পৃথিবীর বাইরে তৈরী। প্রতি বছর প্রায় ২৬০০০ কেজি খনিজ হীরা উত্তেলিত হয় যার মূল্য প্রায় ১০ বিলিয়ন ডলার । পৃথিবীর সব থেকে বড় হীরার খনির নাম ‘ দ্য কিম্বারলি মাইন ‘।  কথিত আছে, হীরক সর্বপ্রথম ভারতবর্ষে মূল্যবান হিসেবে খনি থেকে উত্তোলন ও ব্যবহার করা শুরু হয়। হীরার এই মূল্যবান হবার পিছনে রয়েছে তার এই খাজ । যে হীরার খাজ বেশি সেই হীরা তত বেশি মূল্যবান । দামি হীরার কথা বললে সবার আগে মনে পরে কোহিনুর এর কথা । যার মূল্য পৃথিবীতে প্রাপ্ত সব হীরার থেকে বেশি ।

কোহিনুর হীরা টি প্রয়াত রানী এলিজাবেথ এর মুকুটে আজও শোভা পাচ্ছে । ১০৫ দশমিক ৬ ক্যারেটের এই হীরা উপমহাদেশের গর্ব ।  একটা সময় পর্যন্ত আবিষ্কৃত সবচেয়ে বড় হীরা ছিল এটি। কিন্তু এর উজ্জ্বলতা ও গুণমান বাড়াতে পুনরায় কাটিং করে ৮৬ ক্যারেটে রূপান্তর করা হয়। তবে এর ঐতিহ্য ও বিশুদ্ধতার জোর এতই বেশি যে এর দাম অনুমান করা কঠিন । অর্থমূল্যের দিক থেকে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে দামি হীরা হচ্ছে ‘পিংক স্টার’ । পিংক স্টার হচ্ছে অতি দুর্লভ প্রকৃতির গোলাপি রঙের হীরা এবং বিবিসির সংবাদে বলা হয়েছে, এত বড় গোলাপি হীরা পৃথিবীর ইতিহাসে আর কখনোই দেখা যায়নি । এই দুর্লভ হীরা ২০১৭ সালে হংকংয়ের এক নিলামে ৭ কোটি ১০ লাখ ডলার বিক্রি হয়েছে।

পৃথিবীতে নিলামে বিক্রি হওয়া মূল্যবান পাথরের মধ্যে এটিই সবচেয়ে দামি। দ্য স্যানকি ডায়মন্ড । হালকা হলুদাভ বর্ণের ৫৫ দশমিক ২৩ ক্যারেটের এই হীরা অমূল্য। এটি ভারতের মোগলদের প্রিয় ছিল; এখন এটি ফ্রান্সের ল্যুভর জাদুঘরের ফ্রেঞ্চ ক্রাউন জুয়েল কালেকশনে শোভা পাচ্ছে। এই হীরা নাকি এতটাই দুর্লভ যে এখনো এর দাম নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি। দ্য হোপ ডায়মন্ড ,  রহস্যময় এই হীরার ওজন ৪৫ দশমিক ৫২ ক্যারেট। এটিও অমূল্য। খালি চোখে একে খুব নীল দেখালেও অতি বেগুনি রশ্মিতে একে বেগুনি দেখা যায়। হীরাটি এখন ওয়াশিংটন ডিসির স্মিথসোনিয়ান মিউজিয়াম অব ন্যাচারাল হিস্টোরিতে প্রদর্শনীর জন্য রাখা আছে। নীলাভ বেগুনি বর্ণের এই হীরাকে অভিশপ্ত বলে মনে করা হয়। ডি বিয়ারস সেন্টেনারি ডায়মন্ড , ২৭৩ দশমিক ৮৫ ক্যারটের এই হীরার নামকরণ করা হয়েছে দে বিয়ার্স কনসোলিডেটেড মাইনসের নামানুসারে। এটি পৃথিবীর তৃতীয় বৃহত্তম এবং সর্ববৃহৎ বর্ণহীন হীরা। এটা এতটাই নিখুঁত যে জেমলজিক্যাল ইনস্টিটিউট অব আমেরিকা একে গ্রেড ডি–তে অন্তর্ভুক্ত করে, অর্থাৎ এর ভেতরে এবং বাইরে পুরোটাই নিখুঁত। দ্য অরেঞ্জ ডায়মন্ড , দক্ষিণ আফ্রিকার খনিতে পাওয়া  এই হীরার আরেক নাম ফায়ার ডায়মন্ড। নাশপাতি আকৃতির এই হীরকখণ্ড বিরল প্রকৃতির। এর দাম প্রায় সাড় তিন কোটি ডলার। সাধারণ আকারের হীরার চেয়ে এটি চার গুণ। দ্য রিজেন্ট ডায়মন্ড , এই হীরার দাম ৬১ মিলিয়ন বা ছয় কোটি ১০ লাখ ডলার। হীরার জগতে এটি প্রকৃত অর্থেই রত্ন হিসেবে পরিচিত।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাজমুকুট ও রত্নভান্ডারে এটি স্থান পেয়েছে। দ্য স্টেইনমেটজ পিংক , ৫৯ দশমিক ৬০ ক্যারেট ওজনের আকর্ষণীয় গোলাপি বর্ণের এই হীরা ২০০৩ সালের ২৯ মে মোনাকোতে উন্মোচন করা হয়। হীরাটি এতটাই শক্ত যে এটি কাটতে আটজন কারিগরের ২০ মাস সময় লেগেছিল। এটির বর্তমান মূল্য ২৫ মিলিয়ন বা আড়াই কোটি মার্কিন ডলার। দ্য ব্লু মুন অব জোসেফাইন ডায়মন্ড ,  ৪ কোটি ৮৪ লাখ ডলার মূল্যের এই হীরার নামকরণ করা হয়েছে হংকংয়ের এক শতকোটিপতির মেয়ের নামে। দক্ষিণ আফ্রিকার এক খনিতে এই হীরা পাওয়া গেছে। ১২ ক্যারেটের এই কুশন কাট হীরা প্রায় নিখুঁত। 

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

About Us

যোগাযোগ
সম্পাদক ও প্রকাশক: জহিরুল হক | বিভাগীয় প্রধান (অনলাইন): মুহাঃ ইমদাদুল হক

চারিদিক নিউজের পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক ১৬৪/১, বিআরবি ক্যাবল বিল্ডিং, (৩য় তলা)
সবুজবাগ থানা গলি, মধ্যবাসাবো, সবুজবাগ, ঢাকা-১২১৪।
ফোন: ‪+৮৮ ০২ ৪৭২১৪০৪৪‬, ০১৬১১৫৩৬৪৬৪, ০১৭৫৪৭০৭১৮০ | ই-মেইল: info@charidiknews.com, news@charidiknews.com

বিজ্ঞাপন বিভাগ: ফোন: ‪+৮৮ ০২ ৪৭২১৪০৪৪‬, ০১৬১১৫৩৬৪৬৪, ০১৭৫৪৭০৭১৮০ | ই-মেইল: ads@charidiknews.com

সার্কুলেশন: ফোন: ০১৭৫৪ ৭০৭ ১৮০ | চারিদিক বাংলার একটি প্রকাশনা

GPIT @2024. All Rights Reserved.