যোগাযোগ

  • সম্পাদক ও প্রকাশক: জহিরুল হক | বিভাগীয় প্রধান (অনলাইন): মুহাঃ ইমদাদুল হক

    চারিদিক নিউজের পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক ১৬৪/১, বিআরবি ক্যাবল বিল্ডিং, (৩য় তলা)
    সবুজবাগ থানা গলি, মধ্যবাসাবো, সবুজবাগ, ঢাকা-১২১৪।
    ফোন: ‪+৮৮ ০২ ৪৭২১৪০৪৪‬, ০১৬১১৫৩৬৪৬৪, ০১৭৫৪৭০৭১৮০ | ই-মেইল: info@charidiknews.com, news@charidiknews.com

    বিজ্ঞাপন বিভাগ: ফোন: ‪+৮৮ ০২ ৪৭২১৪০৪৪‬, ০১৬১১৫৩৬৪৬৪, ০১৭৫৪৭০৭১৮০ | ই-মেইল: ads@charidiknews.com

    সার্কুলেশন: ফোন: ০১৭৫৪ ৭০৭ ১৮০ | চারিদিক বাংলার একটি প্রকাশনা

Some Populer Post

  • Home  
  • বার্থা বেঞ্জ: বিশ্বের প্রথম নারী গাড়িচালক
- বিনোদন - ম্যাগাজিন - শিক্ষা - সর্বশেষ

বার্থা বেঞ্জ: বিশ্বের প্রথম নারী গাড়িচালক

কাজী নজরুল ইসলামের লেখা সেই ‘নারী’ কবিতার বিখ্যাত লাইন  “বিশ্বে যা কিছু মহান সৃষ্টি চির কল্যাণকর অর্ধেক তার করিয়াছে নারী, অর্ধেক তার নর  “একজন নারী তার ঘরে রানী এবং বাইরে যোদ্ধা। একজন নারী গর্ভধারিণী, প্রেয়সী, জননী এবং মমতাময়ী । ইতিহাস ঘাটলে দেখতে পাওয়া যায় কত নারী কত মহৎ কাজ করে ইতিহাসের পাতায় তাদের গৌরবোজ্জ্বল নাম। […]

কাজী নজরুল ইসলামের লেখা সেই ‘নারী’ কবিতার বিখ্যাত লাইন  “বিশ্বে যা কিছু মহান সৃষ্টি চির কল্যাণকর অর্ধেক তার করিয়াছে নারী, অর্ধেক তার নর  “একজন নারী তার ঘরে রানী এবং বাইরে যোদ্ধা। একজন নারী গর্ভধারিণী, প্রেয়সী, জননী এবং মমতাময়ী । ইতিহাস ঘাটলে দেখতে পাওয়া যায় কত নারী কত মহৎ কাজ করে ইতিহাসের পাতায় তাদের গৌরবোজ্জ্বল নাম।

কাজী নজরুল ইসলামের লেখা সেই ‘নারী’ কবিতার বিখ্যাত লাইন  “বিশ্বে যা কিছু মহান সৃষ্টি চির কল্যাণকর অর্ধেক তার করিয়াছে নারী, অর্ধেক তার নর  “একজন নারী তার ঘরে রানী এবং বাইরে যোদ্ধা। একজন নারী গর্ভধারিণী, প্রেয়সী, জননী এবং মমতাময়ী । ইতিহাস ঘাটলে দেখতে পাওয়া যায় কত নারী কত মহৎ কাজ করে ইতিহাসের পাতায় তাদের গৌরবোজ্জ্বল নাম স্বর্ণাক্ষরে লিখে যেতে পেরেছিলেন । বিশ্ব ইতিহাসে নারীর স্থান একেবারেই কম নয়! বরং ইতিহাস ঘাটলে দেখা যাবে, প্রায় সব জায়গাতেই রয়েছে নারীর বিচরণ। বিজ্ঞান, সংস্কৃতি, সাহিত্য, শিল্প, প্রশাসন, ব্যবস্থাপনা, বাণিজ্য সবকিছুতেই রয়েছে নারীর সমান অবদান। সুপ্রিয় দর্শক বন্ধুরা আজকে জানাবো এমনি এক নারীর কথা যিনি বিশ্বের প্রথম গাড়ি চালিয়ে ইতিহাস করেছেন ।

তার কল্যাণেই আজকে এতো নাম করা গাড়ির ব্র্যান্ড মার্সিডিস বেঞ্জ ।  মূল ভিডিও তে যাওয়ার আগে আমাদের পেজ টি ফলো ও সাবস্ক্রাইব করতে ভুলবেন না । বার্থা বেঞ্জ। ১৮৪৯ সালে জার্মানির ফোরজেইম শহরে এক ধনাঢ্য পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। ১৮৭২ সালে কার্ল বেঞ্জের বয়স যখন ২৩ বছর তখন তার বিয়ে হয়। কার্ল পেশায় ছিলেন একজন মেকানিকেল ইঞ্জিনিয়ার। বিয়ের পর কার্ল মেকানিকেল যন্ত্রপাতি প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান বেঞ্জ এবং কাই প্রতিষ্ঠা করেন। এবারও তাকে অর্থের যোগান দেন স্ত্রী বার্থা। এই ব্যবসা সফল হওয়ায় কার্ল তার দীর্ঘদিনের স্বপ্ন, যন্ত্রচালিত গাড়ি তৈরির গবেষণা শুরু করেন। ১৮৮৫ সালে সর্বপ্রথম মোটরচালিত গাড়ি তৈরি করতে সক্ষম হন কার্ল। তিন চাকার এ গাড়িটি ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ২৫ মাইল বেগে চলত। জার্মান আইন অনুযায়ী সেসময় কোনো বিবাহিত নারী প্রতিষ্ঠানের মালিক হতে পারবেন না। তাই পরবর্তী বছর কার্ল যখন মোটরগাড়িটির স্বত্ত্ব লাভ করেন তখন তা নিজের নামেই নিবন্ধন করেন। ১৮৮৮ সালের ৫ আগস্ট একই সাথে রচিত হয়েছিল বিশ্বের ইতিহাসের অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। বার্থা বেঞ্জ নামের এক নারী এদিন তার স্বামীর নব-আবিস্কৃত তিন চাকার মোটর গাড়িটি নিয়ে রাস্তায় বেরিয়ে পড়েন স্বামীকে না জানিয়েই।

বার্থা বেঞ্জ

রাস্তা বলতে অবশ্য তখন কিছু ছিল না, ছিল শুধু ঘোড়ার গাড়ি চলার উপযোগী উঁচু-নিচু মাটির পথ। বার্থার উদ্দেশ্য ছিল, এই দুর্গম পথে ১০০ কিলোমিটার দূরত্ব অতিক্রম করে তার বাবার বাড়িতে পৌঁছানো। ঘটনাবহুল দীর্ঘ এ যাত্রায় একই সাথে রচিত হয় বিশ্বের প্রথম গাড়ির বিজ্ঞাপন প্রদর্শন, প্রথম গাড়ি বিকল হওয়া, প্রথম গাড়ি মেরামত করা এবং প্রথম ফিলিং স্টেশনের ব্যবহারের ইতিহাস। একইসাথে এটি ছিল স্বামীর অনুমতি ছাড়া গাড়ি নিয়ে বাপের বাড়ি চলে যাওয়ারও প্রথম ঘটনা । একবার তিনি স্বামীকে না জানিয়ে ১৩ ও ১৫ বছর বয়সী দুই সন্তান নিয়ে বাবার বাড়ির উদ্দেশ্যে বেরিয়ে পড়েন। আর সঙ্গে নেন স্বামীর সদ্য তৈরি তিন চাকার মডেল-৩ গাড়িটি । বেঞ্জের জন্য একটি চিঠি রেখে যান অবশ্য। কিন্তু সেসময়য়ে গাড়ি চলাচলের জন্য রাস্তা খুব একটা উপযোগী ছিল না। পথে কোন পেট্রোল স্টেশন বা ওয়ার্কশপ ছিল না । এমনকি এই গাড়ি নিয়ে সাথে দুই সন্তান সহ কতটুকু চলতে পারবেন সেই বিষয়েও তিনি নিশ্চিত ছিলেন না। যাত্রাপথে শুরু হয় নানা বিপত্তি – ইঞ্জিন গরম হয়ে যাওয়া ,পেট্রোল শেষ হয়ে যাওয়া , ব্রেকশু খয়ে যাওয়া ইত্যাদি । ইঞ্জিন ঠাণ্ডা রাখার জন্য বার্থার সন্তানদের মাঝপথে নেমে পানির সন্ধান করতে হয়েছিল ও পানি আনতে হয়েছিল ইঞ্জিনে ঢালার জন্য ।পেট্রোল শেষ হয়ে গেলে তিনি পথে ফার্মেসি থেকে বেনজেইন কেনেন। ইঞ্জিনে যে জায়গা দিয়ে তেল সরবরাহ করে সে জায়গায় ময়লা জমে আটকে গেলে বার্থা বেঞ্জ তার হ্যাট থেকে একটি পিন খুলে নিয়ে জায়গাটি পরিষ্কার করে নেন। ইঞ্জিনের একটি তার বার বার উত্তপ্ত হয়ে যাচ্ছিল বার্থা তখন তার মোজার রাবার দিয়ে সেটাও ঠিক করে ফেলেন। তখন গাড়ির এত সমস্যার চটজলদি সমাধান দেওয়াও  ছিল প্রথম, কাজেই বার্থাকে প্রথম গাড়ি মেকানিকও বলা হয়ে থাকে। অবশেষে সব বাঁধা অতিক্রম করে তারা পৌঁছেছিলেন গন্তব্যে। এই ঘটনার পর বেঞ্জ মিউখীনে গাড়ির একটি প্রদর্শনীর ব্যবস্থা করেন । তার সেই প্রদর্শনী এত বেশী জনপ্রিয় হয় যে বেঞ্জ দম্পত্তি গোল্ড মেডেল অর্জন করেন। বেঞ্জ দম্পত্তি নির্মিত প্রতিষ্ঠান আজকের মার্সিডিস বেঞ্জ। বার্থা বেঞ্জ ও তার সেই দুঃসাহসিক অভিযানের কারনে বাণিজ্যিকভাবে সফল গাড়িটি সবার নজরে আসে। বেঞ্জ গাড়ির  সফলতা শুধু একা কার্ল বেঞ্জের না, বার্থা বেঞ্জেরও সমান অর্জন ছিল।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

About Us

যোগাযোগ
সম্পাদক ও প্রকাশক: জহিরুল হক | বিভাগীয় প্রধান (অনলাইন): মুহাঃ ইমদাদুল হক

চারিদিক নিউজের পক্ষে প্রকাশক কর্তৃক ১৬৪/১, বিআরবি ক্যাবল বিল্ডিং, (৩য় তলা)
সবুজবাগ থানা গলি, মধ্যবাসাবো, সবুজবাগ, ঢাকা-১২১৪।
ফোন: ‪+৮৮ ০২ ৪৭২১৪০৪৪‬, ০১৬১১৫৩৬৪৬৪, ০১৭৫৪৭০৭১৮০ | ই-মেইল: info@charidiknews.com, news@charidiknews.com

বিজ্ঞাপন বিভাগ: ফোন: ‪+৮৮ ০২ ৪৭২১৪০৪৪‬, ০১৬১১৫৩৬৪৬৪, ০১৭৫৪৭০৭১৮০ | ই-মেইল: ads@charidiknews.com

সার্কুলেশন: ফোন: ০১৭৫৪ ৭০৭ ১৮০ | চারিদিক বাংলার একটি প্রকাশনা

GPIT @2024. All Rights Reserved.